জঙ্গিদের ধরিয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
আব্দুর রাজ্জাক রাজ
পাড়া-মহল্লায় খোঁজ নিয়ে জঙ্গি থাকলে সে তথ্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দিতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার আওয়ামী লীগের আলোচনায় শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি আর সন্ত্রাসবাদের স্থান হবে না। এর বিরুদ্ধে যে কঠোর অবস্থান নিয়েছি, সেটা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে।”
গত জুলাইয়ে গুলশানের একটি ক্যাফেতে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশিসহ ২২ জন নিহত হওয়ার পর দেশজুড়ে জঙ্গিবিরোধী অভিযান শুরু করে পুলিশ-র্যা ব।
কয়েক মাসের অভিযানে প্রায় অর্ধশত ‘জঙ্গি’ নিহতের পাশাপাশি গ্রেপ্তার করা হয় অনেককে। এরপর জঙ্গিদের প্রকাশ্য তৎপরতা কমে এলেও সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় তাদের উপস্থিতি আবার নজরে এসেছে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের একদিন পর শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের আগে ঢাকার আশকোনায় র্যা বের ব্যারাকে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন এক জঙ্গি। এরপর ২৪ ঘণ্টা না গড়াতেই শনিবার ভোরে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে র্যা বের তল্লা¬শি চৌকিতে গুলিতে নিহত হয়েছেন আরেক আত্মঘাতী জঙ্গি।
এই প্রেক্ষাপটে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সবাইকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে আমি আহ্বান জানিয়েছি, আমি আমাদেরও নেতা-কর্মী সকলকে বলব, আপনাদেরও সবাইকে সেভাবে সজাগ থাকতে হবে। যে যেখানে বসবাস করেন, যার যার নিজ নিজ এলাকায় কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসী আছে কি না...সঙ্গে সঙ্গে সে তথ্য আপনাদের সংগ্রহ করতে হবে। সেটা আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কাছে তুলে দিতে হবে।
“এই দেশে কোনো জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস হোক- সেটা আমরা চাই না।”
জঙ্গিবাদ রুখতে নিজের ঘরের দিকেও নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।
“কারো ছেলে-মেয়ে যেন এই জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়, এ ধরনের কোনো কিছু হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। নিজের সন্তানদেরও খবর নিতে হবে- কোথায় যায়, কার সাথে মেশে, কী করে।”
বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় থাকতে ‘জঙ্গিবাদের সৃষ্টি করেছে’ মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “যে জঙ্গিবাদের সৃষ্টি বিএনপি করে গেছে, বাংলা ভাই প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র হাতে টহল দিয়েছে। আর পুলিশ তাদের পাহারা দিয়েছে। বিএনপি নেতারা তাদের হালুয়া-রুটি খাইয়েছে, বিরিয়ানি খাইয়েছে, তাদের মদদ দিয়েছে।”
২০০৫ সালের ২১ অগাস্ট দেশের ৬৭ জেলায় একযোগে পাঁচশ জায়গায় বোমা হামলার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
জঙ্গিবাদ দমনের প্রত্যয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যে কোনো অবস্থা মোকাবেলা করতে জানি। কারণ আমাদের সততার জোর আছে, সততার শক্তি আছে। একজন রাজনীতিবিদের জন্য এই সততাটাই হচ্ছে সব থেকে বড় শক্তি। সততার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছি বলেই বাংলাদেশের উন্নতি হচ্ছে। জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ আমাদের করতে হবে। সেই আদর্শ নিয়েই আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করছি।”
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই আলোচনায় শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।
“আমাদের বিরুদ্ধে তো ষড়যন্ত্রের অভাব নেই। সেই পদ্মা সেতু নিয়ে একটা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
“পিতার আদর্শ থেকে রাজনীতি শিখেছি। জনগণের জন্য যেখানে যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত সেখানে, মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ এনে...আমাদেরকে ভয় দেখাবে...আমি তো সে রকম বাবার সন্তান না।
“আমি শেখ মুজিবের সন্তান। আমিও সে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলাম। আমার বাংলাদেশকে এভাবে হেয় করতে আমরা দেব না।”
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ আটকায় বিশ্ব ব্যাংক। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ টানাপড়েনের পর বিশ্ব ব্যাংক ‘না’ বলে নিজেদের অর্থায়নে দেশের সবচেয়ে বড় এই অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সরকার।
সম্প্রতি কানাডার একটি আদালতের রায়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নাকচ করা হয়।
এই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা দেখেছেন, কানাডার ফেডারেল কোর্ট বলে দিয়েছে, বিশ্ব ব্যাংকের সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা, ভুয়া, বানোয়াট। অন্তত বাংলাদেশের মানুষের সম্মান আমরা রেখেছি।।”
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারাগারের দিনলিপি নিয়ে প্রকাশিত ‘কারাগারের রোজনামচা’র প্রকাশনা উৎসব ‘খুব শিগগির’ হবে বলে জানান তিনি।
বাবাকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, “তার পুরো জীবনটাই ছিল বাংলার মানুষের জন্য নিবেদিত। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করাটাকে আমি আমার জীবনের কর্তব্য হিসাবে নিয়েছি বলেই আমরা আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছি।”
২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য এখন থেকে আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনকে এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে বলেন তিনি।
পাড়া-মহল্লায় খোঁজ নিয়ে জঙ্গি থাকলে সে তথ্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দিতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার আওয়ামী লীগের আলোচনায় শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি আর সন্ত্রাসবাদের স্থান হবে না। এর বিরুদ্ধে যে কঠোর অবস্থান নিয়েছি, সেটা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে।”
গত জুলাইয়ে গুলশানের একটি ক্যাফেতে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশিসহ ২২ জন নিহত হওয়ার পর দেশজুড়ে জঙ্গিবিরোধী অভিযান শুরু করে পুলিশ-র্যা ব।
কয়েক মাসের অভিযানে প্রায় অর্ধশত ‘জঙ্গি’ নিহতের পাশাপাশি গ্রেপ্তার করা হয় অনেককে। এরপর জঙ্গিদের প্রকাশ্য তৎপরতা কমে এলেও সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় তাদের উপস্থিতি আবার নজরে এসেছে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের একদিন পর শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের আগে ঢাকার আশকোনায় র্যা বের ব্যারাকে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন এক জঙ্গি। এরপর ২৪ ঘণ্টা না গড়াতেই শনিবার ভোরে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে র্যা বের তল্লা¬শি চৌকিতে গুলিতে নিহত হয়েছেন আরেক আত্মঘাতী জঙ্গি।
এই প্রেক্ষাপটে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সবাইকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে আমি আহ্বান জানিয়েছি, আমি আমাদেরও নেতা-কর্মী সকলকে বলব, আপনাদেরও সবাইকে সেভাবে সজাগ থাকতে হবে। যে যেখানে বসবাস করেন, যার যার নিজ নিজ এলাকায় কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসী আছে কি না...সঙ্গে সঙ্গে সে তথ্য আপনাদের সংগ্রহ করতে হবে। সেটা আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কাছে তুলে দিতে হবে।
“এই দেশে কোনো জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস হোক- সেটা আমরা চাই না।”
জঙ্গিবাদ রুখতে নিজের ঘরের দিকেও নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।
“কারো ছেলে-মেয়ে যেন এই জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়, এ ধরনের কোনো কিছু হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। নিজের সন্তানদেরও খবর নিতে হবে- কোথায় যায়, কার সাথে মেশে, কী করে।”
বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় থাকতে ‘জঙ্গিবাদের সৃষ্টি করেছে’ মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “যে জঙ্গিবাদের সৃষ্টি বিএনপি করে গেছে, বাংলা ভাই প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র হাতে টহল দিয়েছে। আর পুলিশ তাদের পাহারা দিয়েছে। বিএনপি নেতারা তাদের হালুয়া-রুটি খাইয়েছে, বিরিয়ানি খাইয়েছে, তাদের মদদ দিয়েছে।”
২০০৫ সালের ২১ অগাস্ট দেশের ৬৭ জেলায় একযোগে পাঁচশ জায়গায় বোমা হামলার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
জঙ্গিবাদ দমনের প্রত্যয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যে কোনো অবস্থা মোকাবেলা করতে জানি। কারণ আমাদের সততার জোর আছে, সততার শক্তি আছে। একজন রাজনীতিবিদের জন্য এই সততাটাই হচ্ছে সব থেকে বড় শক্তি। সততার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছি বলেই বাংলাদেশের উন্নতি হচ্ছে। জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ আমাদের করতে হবে। সেই আদর্শ নিয়েই আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করছি।”
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই আলোচনায় শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।
“আমাদের বিরুদ্ধে তো ষড়যন্ত্রের অভাব নেই। সেই পদ্মা সেতু নিয়ে একটা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
“পিতার আদর্শ থেকে রাজনীতি শিখেছি। জনগণের জন্য যেখানে যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত সেখানে, মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ এনে...আমাদেরকে ভয় দেখাবে...আমি তো সে রকম বাবার সন্তান না।
“আমি শেখ মুজিবের সন্তান। আমিও সে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলাম। আমার বাংলাদেশকে এভাবে হেয় করতে আমরা দেব না।”
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ আটকায় বিশ্ব ব্যাংক। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ টানাপড়েনের পর বিশ্ব ব্যাংক ‘না’ বলে নিজেদের অর্থায়নে দেশের সবচেয়ে বড় এই অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সরকার।
সম্প্রতি কানাডার একটি আদালতের রায়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নাকচ করা হয়।
এই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা দেখেছেন, কানাডার ফেডারেল কোর্ট বলে দিয়েছে, বিশ্ব ব্যাংকের সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা, ভুয়া, বানোয়াট। অন্তত বাংলাদেশের মানুষের সম্মান আমরা রেখেছি।।”
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারাগারের দিনলিপি নিয়ে প্রকাশিত ‘কারাগারের রোজনামচা’র প্রকাশনা উৎসব ‘খুব শিগগির’ হবে বলে জানান তিনি।
বাবাকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, “তার পুরো জীবনটাই ছিল বাংলার মানুষের জন্য নিবেদিত। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করাটাকে আমি আমার জীবনের কর্তব্য হিসাবে নিয়েছি বলেই আমরা আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছি।”
২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য এখন থেকে আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনকে এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে বলেন তিনি।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন