বেকার হোস্টেল থেকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য সরানোর দাবি
কয়রা ডেস্ক : কলকাতার মৌলানা আজাদ কলেজের বেকার হোস্টেলে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য সরানোর দাবি জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ইসলামিক সংগঠন ‘সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন’।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতার মৌলানা আজাদ কলেজে পড়ালেখা করতেন। তাঁর সেই অতীত স্মৃতিকে ধরে রাখতে ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের সময় বেকার হোস্টেলের ২৩ এবং ২৪ নম্বর কক্ষ বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত কক্ষ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। ওই কক্ষের প্রবেশ পথে শ্বেতপাথরের মার্বেল দিয়ে তৈরি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বঙ্গবন্ধুর ওই ভাস্কর্য উন্মোচন করেন।
শনিবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী মূর্তি বাসানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ছাড়া ভারতে কোনো মুসলিম প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের মূর্তি স্থাপন বিরল ঘটনা। তাই আমরা দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে বেকার হোস্টেল থেকে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়া হোক।’ তিনি বলেন, ‘আগামী মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে আসবেন, তার আগে তিনি যাতে বেকার হোস্টেল থেকে তাঁর বাবার মূর্তি সরানোর ব্যবস্থা করেন সেই দাবি জানাচ্ছি।’
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, ‘আমরা আশা করব শেখ হাসিনা কোনো সংঘাতে না গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের ভাবাবেগকে সম্মান দেবেন। প্রয়োজনে তিনি কলকাতা করপোরেশনের অনুমতি নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মূর্তি কলকাতার অন্য কোনো স্থানে বসান। তাতে আমাদের আপত্তি নেই। মুসলিম প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মূর্তি আমরা মেনে নেব না।’
বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে। আরো বলা হয়, মৌলানা আজাদ কলেজ থেকে বহু মুসলিম প্রসিদ্ধ ব্যক্তিরা পড়ালেখা করেছেন। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কেন, কোনো বন্ধুর মূর্তিই মেনে নেব না।
Posted by #amadinews
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতার মৌলানা আজাদ কলেজে পড়ালেখা করতেন। তাঁর সেই অতীত স্মৃতিকে ধরে রাখতে ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের সময় বেকার হোস্টেলের ২৩ এবং ২৪ নম্বর কক্ষ বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত কক্ষ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। ওই কক্ষের প্রবেশ পথে শ্বেতপাথরের মার্বেল দিয়ে তৈরি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বঙ্গবন্ধুর ওই ভাস্কর্য উন্মোচন করেন।
শনিবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী মূর্তি বাসানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ছাড়া ভারতে কোনো মুসলিম প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের মূর্তি স্থাপন বিরল ঘটনা। তাই আমরা দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে বেকার হোস্টেল থেকে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়া হোক।’ তিনি বলেন, ‘আগামী মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে আসবেন, তার আগে তিনি যাতে বেকার হোস্টেল থেকে তাঁর বাবার মূর্তি সরানোর ব্যবস্থা করেন সেই দাবি জানাচ্ছি।’
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, ‘আমরা আশা করব শেখ হাসিনা কোনো সংঘাতে না গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের ভাবাবেগকে সম্মান দেবেন। প্রয়োজনে তিনি কলকাতা করপোরেশনের অনুমতি নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মূর্তি কলকাতার অন্য কোনো স্থানে বসান। তাতে আমাদের আপত্তি নেই। মুসলিম প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মূর্তি আমরা মেনে নেব না।’
বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে। আরো বলা হয়, মৌলানা আজাদ কলেজ থেকে বহু মুসলিম প্রসিদ্ধ ব্যক্তিরা পড়ালেখা করেছেন। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কেন, কোনো বন্ধুর মূর্তিই মেনে নেব না।
Posted by #amadinews

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন