খুলনা-কলকাতা ট্রেন চালুর প্রস্তুতি নেই, হতাশ যাত্রীরা
কয়রা ডেস্ক : আগামী ৮ এপ্রিল খুলনা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন সার্ভিস উদ্বোধন হওয়ার কথা থাকলেও প্রস্তুতি নেই খুলনা স্টেশনে। এ সম্পর্কে খুলনা রেলের কর্মকর্তারা কিছুই জানেন না। উদ্বোধনের পর কবে থেকে বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে, টিকিট, ভাড়া, স্টেশন সম্পর্কিত কোন ধারনাই নেই তাদের। প্রতিদিন শতশত উৎসুক যাত্রী হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন স্টেশন থেকে।
রেলসূত্রে জানা গেছে, আগামী ৮ এপ্রিল খুলনা-কলকাতা রুটে দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হবে। এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে এদিন। তবে এখনও পর্যন্ত খুলনা স্টেশনে কোন প্রস্তুতি নেই। স্টেশনের কর্মকর্তারাও রয়েছেন দ্বিধা-দন্দ্বে।
খুলনা স্টেশন মাস্টার কাজি আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘পত্রিকা মারফত আমরা শুধু এটুকুই জেনেছি যে ট্রেনের উদ্বোধন হবে। তবে কবে হবে, কোথায় হবে, সে জন্য আমাদের কি ধরনের প্রস্তুতি আগে থেকে গ্রহণ করা প্রয়োজন সে সম্পর্কেও কিছু জানিনা। মন্ত্রনালয় বা অধিদপ্তর থেকেও আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। বাণিজ্যিকভাবে কবে থেকে চালু হবে সেটাও জানিনা। অফিসিয়ালি আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। এ রুটে ট্রেন চালু হওয়ার বিষয় শুনে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী অফিসে এসে আমাদের নিকট বিভিন্ন তথ্য জানতে চাচ্ছে। তবে সে সম্পর্কে আমরা কোন তথ্যই তাদের দিতে পারছি না’।
এদিকে রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, ‘উদ্বোধনের পর থেকে দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহে আপাতত ১ দিন চলাচল করবে। পরে ট্রিপ বাড়ানো হবে। ভাড়াসহ অন্যান্য কোন বিষয় এখনই বলতে পারছি না। এগুলো পরে জানানো হবে’।
গতকাল সোমবার খুলনা স্টেশনে এ রুটের ট্রেন সম্পর্কে তথ্য জানতে আসা যাত্রী মনিরুল ইসলামের অভিযোগ, স্টেশন মাস্টার ট্রেন কবে থেকে চালু হবে সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি। ভাড়া কত হবে সে বিষয়েও তিনি কিছু জানাননি।
অপর যাত্রী ইব্রাহিম সরোয়ার বলেন, এ রুটে নতুন ট্রেনের যাত্রী হয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হতে চাই। কিন্তু স্টেশনে এসে হতাশ হতে হয়েছে। কবে টিকিট পাব, টিকিট পেতে কোন ধরনের প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেনি কেউ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খুলনা রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ রেলওয়েতে যাত্রীবাহী বগি ও ইঞ্জিন স্বল্পতা থাকায় শুরুতে দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভারতীয় ইঞ্জিন ও রেক দিয়ে চলাচল করবে। আপাতত ৮টি কোচ সংযোজন করা হবে ট্রেনটিতে। ৮ এপ্রিল খুলনা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটিই পরে কলকাতা থেকে ফিরবে খুলনায়। ট্রেনটি উদ্বোধন হলে খুলনা-কলকাতা প্রায় ১৫০ কিলোমিটার রেলপথ মাত্র ৩ ঘণ্টায় চলাচল সম্ভব হবে। এটি খুলনা-যশোর-বেনাপোল-পেট্রোপোল-বনগাঁ হয়ে শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছবে। পহেলা বৈশাখ থেকে নিয়মিতভাবে খুলনা-কলকাতা রুটের ট্রেন চালু হতে পারে বলে তিনি দাবী করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে লোকসানের কবলে পড়ে এ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মালবাহী ট্রেন চলছে। ১৮৬৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম এ রুটটি চালু হয়।
রেলসূত্রে জানা গেছে, আগামী ৮ এপ্রিল খুলনা-কলকাতা রুটে দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হবে। এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে এদিন। তবে এখনও পর্যন্ত খুলনা স্টেশনে কোন প্রস্তুতি নেই। স্টেশনের কর্মকর্তারাও রয়েছেন দ্বিধা-দন্দ্বে।
খুলনা স্টেশন মাস্টার কাজি আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘পত্রিকা মারফত আমরা শুধু এটুকুই জেনেছি যে ট্রেনের উদ্বোধন হবে। তবে কবে হবে, কোথায় হবে, সে জন্য আমাদের কি ধরনের প্রস্তুতি আগে থেকে গ্রহণ করা প্রয়োজন সে সম্পর্কেও কিছু জানিনা। মন্ত্রনালয় বা অধিদপ্তর থেকেও আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। বাণিজ্যিকভাবে কবে থেকে চালু হবে সেটাও জানিনা। অফিসিয়ালি আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। এ রুটে ট্রেন চালু হওয়ার বিষয় শুনে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী অফিসে এসে আমাদের নিকট বিভিন্ন তথ্য জানতে চাচ্ছে। তবে সে সম্পর্কে আমরা কোন তথ্যই তাদের দিতে পারছি না’।
এদিকে রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, ‘উদ্বোধনের পর থেকে দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহে আপাতত ১ দিন চলাচল করবে। পরে ট্রিপ বাড়ানো হবে। ভাড়াসহ অন্যান্য কোন বিষয় এখনই বলতে পারছি না। এগুলো পরে জানানো হবে’।
গতকাল সোমবার খুলনা স্টেশনে এ রুটের ট্রেন সম্পর্কে তথ্য জানতে আসা যাত্রী মনিরুল ইসলামের অভিযোগ, স্টেশন মাস্টার ট্রেন কবে থেকে চালু হবে সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি। ভাড়া কত হবে সে বিষয়েও তিনি কিছু জানাননি।
অপর যাত্রী ইব্রাহিম সরোয়ার বলেন, এ রুটে নতুন ট্রেনের যাত্রী হয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হতে চাই। কিন্তু স্টেশনে এসে হতাশ হতে হয়েছে। কবে টিকিট পাব, টিকিট পেতে কোন ধরনের প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেনি কেউ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খুলনা রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ রেলওয়েতে যাত্রীবাহী বগি ও ইঞ্জিন স্বল্পতা থাকায় শুরুতে দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভারতীয় ইঞ্জিন ও রেক দিয়ে চলাচল করবে। আপাতত ৮টি কোচ সংযোজন করা হবে ট্রেনটিতে। ৮ এপ্রিল খুলনা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটিই পরে কলকাতা থেকে ফিরবে খুলনায়। ট্রেনটি উদ্বোধন হলে খুলনা-কলকাতা প্রায় ১৫০ কিলোমিটার রেলপথ মাত্র ৩ ঘণ্টায় চলাচল সম্ভব হবে। এটি খুলনা-যশোর-বেনাপোল-পেট্রোপোল-বনগাঁ হয়ে শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছবে। পহেলা বৈশাখ থেকে নিয়মিতভাবে খুলনা-কলকাতা রুটের ট্রেন চালু হতে পারে বলে তিনি দাবী করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে লোকসানের কবলে পড়ে এ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মালবাহী ট্রেন চলছে। ১৮৬৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম এ রুটটি চালু হয়।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন