শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ, দেখবেন যেভাবে
কয়রা স্পোর্টস ডেস্ক: ২০১২ সাল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা। ১৯৯৬ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর আর আর কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে জেতেনি লঙ্কানরা। তাই সেই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার আরো একটি বিশ্বকাপ প্রাপ্তিই নয়, নিজেদের ফিরে পাওয়ার মিশনও ছিল। কিন্তু কলম্বোর খেত্তারামাতে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল লঙ্কানরা। প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সেই সময় ম্যাচের আগে লঙ্কান এক সংবাদকর্মী বলেছিলেন ‘প্রেমাদাসা’ আমাদের টি-টোয়েন্টির জন্য শুভ নয়। জানি না কি হবে ফাইনালে! অবশেষে ৩৬ রানে হেরে গিয়ে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হাতছাড়া করলো জয়াবর্ধনের দল। এই মাঠে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১১টি ম্যাচ খেলে শুধুমাত্র একটিতেই জয় পেয়েছে লঙ্কানরা। তাদের সেই দুঃস্বপ্নের মাঠেই এবার সুযোগের অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল। এই মাঠে ৬টি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেললেও এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে সিংহদের বিপক্ষে খেলা হয়নি টাইগারদের।
প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাই আছে। কলম্বোতে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামটিকে লঙ্কান ক্রিকেটের প্রাণও বলা হয়। কিন্তু এখানে লঙ্কানদের টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ের চিত্রটা বেশ মলিন। এ মাঠে নিজেদের শেষ ৬ ম্যাচেই টানা
হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে লঙ্কানরা। এখানে মাঠে নামার আগে অধিনায়ক উপল থারাঙ্গা হুমকি দিয়েছেন অন্যরকম কিছু করে দেখানোর। একে তো তাদের সামনে এই ভেন্যুতে নিজেদের ইতিহাস পরিবর্তনের সুযোগ, অন্যদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে মর্যাদার লড়াই। টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজও ড্র হয়েছে। কোনোভাবেই টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে তারা ছাড় দিতে রাজি নয়।
সেজন্য অভিজ্ঞ পেসার লাসিথ মালিঙ্গাকেও দলে ফেরানো হয়েছে। অধিনায়কের বিশ্বাস, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে স্বরূপে দেখা যাবে মালিঙ্গাকে। এ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলে চারটিতে হেরেছে বাংলাদেশ, জিতেছে একটিতে। কিন্তু এই মাঠে এখনো দুই দল মুখোমুখি হয়নি। তাই টাইগারদের জন্য এখানে লঙ্কানদের আরো একটি দুঃস্বপ্ন উপহার দেয়ার সুযোগ।
বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে দলের শক্তি বাড়াতে মালিঙ্গা ছাড়াও দলে রাখা হয়েছে আরেক অভিজ্ঞ থিসারা পেরেরাকে। তাদের প্রস্তুতি দেখে অনুমান করা যায়, যে কোনো মূল্যে এ সিরিজটি তাদের চাই। তাই আজ প্রেমাদাসাতে টাইগারদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হবে। তবে প্রেমাদাসার উইকেট অনেকটাই ব্যাটিংস্বর্গ। এখানে টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০১২ সালে ২০৫/৪ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। এটি একমাত্র ২০০ ছাড়ানো ইনিংস হলেও দেড়শ ছাড়ানো ইনিংসের সংখ্যা ১৪টি। ১০০ থেকে ১৫০-এর মধ্যে ইনিংস আছে আরো ২০টি। সেই হিসাবে এখানে তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমানরা নিজেদের সেরাটাই দিতে পারেন।
অন্যদিকে বল হাতে প্রেমাদাসায় পেসারদেরই রাজত্ব। কারণ, এই মাঠে সেরা পাঁচ বোলারের মধ্যে চারজনই পেসার। এর মধ্যে ৬ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়াটসন। তার পরেই আছেন আরেক অস্ট্রেলিয়ান মিচেল স্টার্ক। তার শিকার ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট। তৃতীয় স্থানে আছেন ৪ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে ভারতের পেসার বালাজি, চতুর্থ স্থানে একই সমান উইকেট নেয় লঙ্কান অফস্পিনার অজান্তা মেন্ডিস ও পঞ্চম স্থানে ১০ ম্যাচে ৯ উইকেট পাওয়া লাসিথ মালিঙ্গা।
এ কারণে তাকে টি-টোয়েন্টি দলে রাখা হয়েছে। সেই হিসাবে টাইগার অধিনায়ক মাশরাফির সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের সুযোগ দারুণ কিছু করে দেখানোর। আর এই মাঠে পারফরম্যান্স বাড়াতে পারে টাইগার অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের দলে সুযোগ পেলে ভালো করার আত্মবিশ্বাস।
এই ম্যাচের সময়সূচি-
বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা
প্রথম টি-টোয়েন্টি
সরাসরি, সন্ধ্যা ৭-৩০ মিনিট
বিটিভি, চ্যানেল নাইন ও টেন ক্রিকেট
Posted by কয়রার সংবাদ
সেই সময় ম্যাচের আগে লঙ্কান এক সংবাদকর্মী বলেছিলেন ‘প্রেমাদাসা’ আমাদের টি-টোয়েন্টির জন্য শুভ নয়। জানি না কি হবে ফাইনালে! অবশেষে ৩৬ রানে হেরে গিয়ে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হাতছাড়া করলো জয়াবর্ধনের দল। এই মাঠে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১১টি ম্যাচ খেলে শুধুমাত্র একটিতেই জয় পেয়েছে লঙ্কানরা। তাদের সেই দুঃস্বপ্নের মাঠেই এবার সুযোগের অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল। এই মাঠে ৬টি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেললেও এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে সিংহদের বিপক্ষে খেলা হয়নি টাইগারদের।
প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাই আছে। কলম্বোতে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামটিকে লঙ্কান ক্রিকেটের প্রাণও বলা হয়। কিন্তু এখানে লঙ্কানদের টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ের চিত্রটা বেশ মলিন। এ মাঠে নিজেদের শেষ ৬ ম্যাচেই টানা
হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে লঙ্কানরা। এখানে মাঠে নামার আগে অধিনায়ক উপল থারাঙ্গা হুমকি দিয়েছেন অন্যরকম কিছু করে দেখানোর। একে তো তাদের সামনে এই ভেন্যুতে নিজেদের ইতিহাস পরিবর্তনের সুযোগ, অন্যদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে মর্যাদার লড়াই। টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজও ড্র হয়েছে। কোনোভাবেই টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে তারা ছাড় দিতে রাজি নয়।
সেজন্য অভিজ্ঞ পেসার লাসিথ মালিঙ্গাকেও দলে ফেরানো হয়েছে। অধিনায়কের বিশ্বাস, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে স্বরূপে দেখা যাবে মালিঙ্গাকে। এ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলে চারটিতে হেরেছে বাংলাদেশ, জিতেছে একটিতে। কিন্তু এই মাঠে এখনো দুই দল মুখোমুখি হয়নি। তাই টাইগারদের জন্য এখানে লঙ্কানদের আরো একটি দুঃস্বপ্ন উপহার দেয়ার সুযোগ।
বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে দলের শক্তি বাড়াতে মালিঙ্গা ছাড়াও দলে রাখা হয়েছে আরেক অভিজ্ঞ থিসারা পেরেরাকে। তাদের প্রস্তুতি দেখে অনুমান করা যায়, যে কোনো মূল্যে এ সিরিজটি তাদের চাই। তাই আজ প্রেমাদাসাতে টাইগারদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হবে। তবে প্রেমাদাসার উইকেট অনেকটাই ব্যাটিংস্বর্গ। এখানে টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০১২ সালে ২০৫/৪ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। এটি একমাত্র ২০০ ছাড়ানো ইনিংস হলেও দেড়শ ছাড়ানো ইনিংসের সংখ্যা ১৪টি। ১০০ থেকে ১৫০-এর মধ্যে ইনিংস আছে আরো ২০টি। সেই হিসাবে এখানে তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমানরা নিজেদের সেরাটাই দিতে পারেন।
অন্যদিকে বল হাতে প্রেমাদাসায় পেসারদেরই রাজত্ব। কারণ, এই মাঠে সেরা পাঁচ বোলারের মধ্যে চারজনই পেসার। এর মধ্যে ৬ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়াটসন। তার পরেই আছেন আরেক অস্ট্রেলিয়ান মিচেল স্টার্ক। তার শিকার ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট। তৃতীয় স্থানে আছেন ৪ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে ভারতের পেসার বালাজি, চতুর্থ স্থানে একই সমান উইকেট নেয় লঙ্কান অফস্পিনার অজান্তা মেন্ডিস ও পঞ্চম স্থানে ১০ ম্যাচে ৯ উইকেট পাওয়া লাসিথ মালিঙ্গা।
এ কারণে তাকে টি-টোয়েন্টি দলে রাখা হয়েছে। সেই হিসাবে টাইগার অধিনায়ক মাশরাফির সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের সুযোগ দারুণ কিছু করে দেখানোর। আর এই মাঠে পারফরম্যান্স বাড়াতে পারে টাইগার অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের দলে সুযোগ পেলে ভালো করার আত্মবিশ্বাস।
এই ম্যাচের সময়সূচি-
বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা
প্রথম টি-টোয়েন্টি
সরাসরি, সন্ধ্যা ৭-৩০ মিনিট
বিটিভি, চ্যানেল নাইন ও টেন ক্রিকেট
Posted by কয়রার সংবাদ

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন