ঢাকা-মাওয়া-খুলনা-কলকাতা বাস চলবে
কয়রা ডেস্ক : ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কলকাতা রুটে নতুন বাস সেবা চালু করতে ভারতের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য খসড়া অনুমোদন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা-কলকাতা রুটে বেনাপোল হয়ে গাড়ি চলাচল করে। এই চুক্তি হলে ঢাকা-খুলনা-কলকাতা রুটে বাস চালু হবে। মন্ত্রিসভা বিষয়টি অনুমোদন করেছে।
সচিব বলেন, ঢাকা থেকে সড়কপথে বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু, হাটিকুমরুল হয়ে যশোরের বেনাপোল হয়ে গাড়ি কলকাতায় যায়। নতুন রুটে মাওয়া হয়ে গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, রূপসা নদী পার হয়ে খুলনা দিয়ে বেনাপোল হয়ে কলকাতা যাবে, এতে দূরত্ব কমবে ৯৬ কিলোমিটার।
নতুন এই রুটে কবে থেকে গাড়ি চলবে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “আগে চুক্তি হবে তারপর চালু হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে বা পরে এই চুক্তি হতে পারে।” তিনি জানান, চুক্তি হলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন রুটের বাস সেবা উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনে ঢাকা ও কলকাতা থেকে দু’টি বাস রওনা হবে।
জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস : সরকার ২৩ জুলাই ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। সচিব জানান, মন্ত্রিসভা এ দিনটিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। আর্থিক খরচের উপর দিবসের শ্রেণী করা হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘খ’ শ্রেণীতে সরকারি উৎস থেকে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, ওই গ্র“পে এটাকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্যদেশেও এ দিবস রয়েছে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, “বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ভাবে দিবসটি পালন করে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ২৩ জুন পালন করা হয়। আমাদের দেশে ২৩ জুন অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিবস আছে। দ্বৈততা পরিহারের জন্য এটা ২৩ জুলাই করা হল।” বাংলাদেশে পাবলিক সার্ভিস দিবস ২৩ জুলাই কেন নির্ধারিত হল- এমন প্রশ্নে শফিউল বলেন, “২৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো ফরমালি জনপ্রশাসন পদক দেন।”
এদিকে জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা-২০১৭’র খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আদর্শ ও ইতিহাস এবং দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ নীতিমালা তৈরি হয়েছে। চলচ্চিত্রে সরাসরি ধর্ষণের দৃশ্যসহ নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, বৈষম্যমূলক আচরণ বা হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডকে উদ্বুদ্ধ করে এমন দৃশ্যও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করে নতুন নীতিমালা অনুমোদন করেছে সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন চলচ্চিত্র নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো চলচ্চিত্রেই রাষ্ট্র ও জনস্বার্থবিরোধী বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। সমুন্নত রাখতে হবে মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস ও তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা; পরিহার করতে হবে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা। চলচ্চিত্রে সরাসরি কোনো ধর্ষণের দৃশ্য দেখানো যাবে না। শিশু বা নারী কিংবা উভয়ের প্রতি সহিংসতা বা বৈষম্যমূলক আচরণ বা হয়বানিমূলক কর্মকাণ্ডকে উদ্বুদ্ধ করে এমন কোনো ঘটনা ও দৃশ্য চলচ্চিত্রে পদর্শন করা যাবে না।
শফিউল আলম বলেন, কোনো অশোভন উক্তি, আচরণ এবং অপরাধীদের কার্যকলাপের কৌশল প্রদর্শন, যা অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে নতুন পদ্ধতির প্রবর্তন ও মাত্রা আনতে সহায়ক হতে পারে, এমন দৃশ্য পরিহার করতে হবে। সুস্থ্য, শিক্ষামূলক ও বিনোদনধর্মী চলচ্চিত্র নির্মাণ, বিতরণ ও প্রদর্শন করতে সরকারি এবং বেরকারি পর্যায়ে নীতিগত ও অবকাঠামোগত ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
চলচ্চিত্রে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য পরিবেশন করা যাবে না জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, চলচ্চিত্রে দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভাবধারার সুষ্ঠু প্রতিফলন এবং এর সঙ্গে জনগণের নিবীড় যোগসূত্র স্থাপন ও সাংস্কৃতিক ধারাকে দেশপ্রেমের আদর্শে অনুপ্রাণিত করার প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে।চলচ্চিত্রে ক্ষু-নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভাবধারার সুষ্ঠু প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সকল ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং ধর্মীয় সহিংসতারোধে জনগণকে উজ্জীবিত করতে হবে। চলচ্চিত্র আমদানি ও রফতানিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি কমিটি থাকবে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, এরা কোনো চলচ্চিত্র আমদানি বা রপ্তানির সুপারিশ করবে। এছাড়া তথ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের চলচ্চিত্র বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি থাকবে, যে কমিটি নীতিমালার আলোকে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ দেবে।
শফিউল আলম বলেন,সেন্সর শব্দটি একটু নেতিবাচক, নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট বহন করে। এজন্য বিভিন্ন দেশে সেন্সরের ক্ষেত্রে সার্টিফিকেশন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশেও পর্যায়ক্রমে সেন্সর সিস্টেম বাদ দিয়ে সার্টিফিকেশন সিস্টেম প্রবর্তন করা হবে। চলচ্চিত্রের সৃজনশীলতা বজায় রাখতে কপিরাইট ও অন্যান্য মেধাস্বত্ব সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও নীতিমালায় নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনে যৌথ বিনিয়োগ উৎসাহিত ও বাজার সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট দেশের চলচ্চিত্রের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, প্রযোজক সমন্বয়ে যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্রের নির্মাণ উৎসাহিত করা হবে। প্রেক্ষাগৃহের সমস্যা সমাধানে দেশের সব জেলায় একটি করে সরকারি তথ্য ভবন’ নির্মাণে সরকারি উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বৈঠকে অস্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ আইন-২০১৭-এ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং অপরিহার্য জনস্বার্থে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, কবরস্থান ও শ্মশানের জমি অধিগ্রহণের বিধান রয়েছে।
তিনি বলেন, অনুমোদিত খসড়াটি হচ্ছে ১৯৮২ সালের একটি অধ্যাদেশের বাংলা রূপান্তর। উচ্চ আদালতের আদেশে এর বাংলা ভাষান্তর উপস্থাপনে কিছু বিধির সংস্কার করা হয়। বিদ্যমান ৮২ অধ্যাদেশে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, কবরস্থান ও শ্মশানের জমি অধিগ্রহণের বিধান নাই। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনের ৪(১৩) ধারায় পুনঃনির্মাণ সাপেক্ষ এসব স্থাপনার জমি অধিগ্রহণ করা যাবে। জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ জেলা প্রশাসনে পৌঁছাতে ৬০ দিন থেকে ১২০ দিন সময় বাড়ানো হয়েছে। সরকার জমি অধিগ্রহণকালে বাজার মূল্যের চেয়ে তিনগুণ অধিক দাম দেয়া হবে। এ ছাড়া কোন বেসরকারি সংস্থা স্কুল স্থাপনসহ কোন জনস্বার্থে জমি অধিগ্রহণ করলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বাজার দরের চারগুণ ক্ষতিপূরণ পাবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার এক বছরের জমির গড় মূল্যের ভিত্তিতে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হবে।
সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা-কলকাতা রুটে বেনাপোল হয়ে গাড়ি চলাচল করে। এই চুক্তি হলে ঢাকা-খুলনা-কলকাতা রুটে বাস চালু হবে। মন্ত্রিসভা বিষয়টি অনুমোদন করেছে।
সচিব বলেন, ঢাকা থেকে সড়কপথে বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু, হাটিকুমরুল হয়ে যশোরের বেনাপোল হয়ে গাড়ি কলকাতায় যায়। নতুন রুটে মাওয়া হয়ে গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, রূপসা নদী পার হয়ে খুলনা দিয়ে বেনাপোল হয়ে কলকাতা যাবে, এতে দূরত্ব কমবে ৯৬ কিলোমিটার।
নতুন এই রুটে কবে থেকে গাড়ি চলবে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “আগে চুক্তি হবে তারপর চালু হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে বা পরে এই চুক্তি হতে পারে।” তিনি জানান, চুক্তি হলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন রুটের বাস সেবা উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনে ঢাকা ও কলকাতা থেকে দু’টি বাস রওনা হবে।
জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস : সরকার ২৩ জুলাই ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। সচিব জানান, মন্ত্রিসভা এ দিনটিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। আর্থিক খরচের উপর দিবসের শ্রেণী করা হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘খ’ শ্রেণীতে সরকারি উৎস থেকে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, ওই গ্র“পে এটাকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্যদেশেও এ দিবস রয়েছে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, “বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ভাবে দিবসটি পালন করে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ২৩ জুন পালন করা হয়। আমাদের দেশে ২৩ জুন অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিবস আছে। দ্বৈততা পরিহারের জন্য এটা ২৩ জুলাই করা হল।” বাংলাদেশে পাবলিক সার্ভিস দিবস ২৩ জুলাই কেন নির্ধারিত হল- এমন প্রশ্নে শফিউল বলেন, “২৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো ফরমালি জনপ্রশাসন পদক দেন।”
এদিকে জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা-২০১৭’র খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আদর্শ ও ইতিহাস এবং দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ নীতিমালা তৈরি হয়েছে। চলচ্চিত্রে সরাসরি ধর্ষণের দৃশ্যসহ নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, বৈষম্যমূলক আচরণ বা হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডকে উদ্বুদ্ধ করে এমন দৃশ্যও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করে নতুন নীতিমালা অনুমোদন করেছে সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন চলচ্চিত্র নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো চলচ্চিত্রেই রাষ্ট্র ও জনস্বার্থবিরোধী বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। সমুন্নত রাখতে হবে মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস ও তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা; পরিহার করতে হবে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা। চলচ্চিত্রে সরাসরি কোনো ধর্ষণের দৃশ্য দেখানো যাবে না। শিশু বা নারী কিংবা উভয়ের প্রতি সহিংসতা বা বৈষম্যমূলক আচরণ বা হয়বানিমূলক কর্মকাণ্ডকে উদ্বুদ্ধ করে এমন কোনো ঘটনা ও দৃশ্য চলচ্চিত্রে পদর্শন করা যাবে না।
শফিউল আলম বলেন, কোনো অশোভন উক্তি, আচরণ এবং অপরাধীদের কার্যকলাপের কৌশল প্রদর্শন, যা অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে নতুন পদ্ধতির প্রবর্তন ও মাত্রা আনতে সহায়ক হতে পারে, এমন দৃশ্য পরিহার করতে হবে। সুস্থ্য, শিক্ষামূলক ও বিনোদনধর্মী চলচ্চিত্র নির্মাণ, বিতরণ ও প্রদর্শন করতে সরকারি এবং বেরকারি পর্যায়ে নীতিগত ও অবকাঠামোগত ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
চলচ্চিত্রে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য পরিবেশন করা যাবে না জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, চলচ্চিত্রে দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভাবধারার সুষ্ঠু প্রতিফলন এবং এর সঙ্গে জনগণের নিবীড় যোগসূত্র স্থাপন ও সাংস্কৃতিক ধারাকে দেশপ্রেমের আদর্শে অনুপ্রাণিত করার প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে।চলচ্চিত্রে ক্ষু-নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভাবধারার সুষ্ঠু প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সকল ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং ধর্মীয় সহিংসতারোধে জনগণকে উজ্জীবিত করতে হবে। চলচ্চিত্র আমদানি ও রফতানিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি কমিটি থাকবে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, এরা কোনো চলচ্চিত্র আমদানি বা রপ্তানির সুপারিশ করবে। এছাড়া তথ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের চলচ্চিত্র বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি থাকবে, যে কমিটি নীতিমালার আলোকে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ দেবে।
শফিউল আলম বলেন,সেন্সর শব্দটি একটু নেতিবাচক, নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট বহন করে। এজন্য বিভিন্ন দেশে সেন্সরের ক্ষেত্রে সার্টিফিকেশন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশেও পর্যায়ক্রমে সেন্সর সিস্টেম বাদ দিয়ে সার্টিফিকেশন সিস্টেম প্রবর্তন করা হবে। চলচ্চিত্রের সৃজনশীলতা বজায় রাখতে কপিরাইট ও অন্যান্য মেধাস্বত্ব সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও নীতিমালায় নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনে যৌথ বিনিয়োগ উৎসাহিত ও বাজার সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট দেশের চলচ্চিত্রের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, প্রযোজক সমন্বয়ে যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্রের নির্মাণ উৎসাহিত করা হবে। প্রেক্ষাগৃহের সমস্যা সমাধানে দেশের সব জেলায় একটি করে সরকারি তথ্য ভবন’ নির্মাণে সরকারি উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বৈঠকে অস্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ আইন-২০১৭-এ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং অপরিহার্য জনস্বার্থে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, কবরস্থান ও শ্মশানের জমি অধিগ্রহণের বিধান রয়েছে।
তিনি বলেন, অনুমোদিত খসড়াটি হচ্ছে ১৯৮২ সালের একটি অধ্যাদেশের বাংলা রূপান্তর। উচ্চ আদালতের আদেশে এর বাংলা ভাষান্তর উপস্থাপনে কিছু বিধির সংস্কার করা হয়। বিদ্যমান ৮২ অধ্যাদেশে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, কবরস্থান ও শ্মশানের জমি অধিগ্রহণের বিধান নাই। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনের ৪(১৩) ধারায় পুনঃনির্মাণ সাপেক্ষ এসব স্থাপনার জমি অধিগ্রহণ করা যাবে। জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ জেলা প্রশাসনে পৌঁছাতে ৬০ দিন থেকে ১২০ দিন সময় বাড়ানো হয়েছে। সরকার জমি অধিগ্রহণকালে বাজার মূল্যের চেয়ে তিনগুণ অধিক দাম দেয়া হবে। এ ছাড়া কোন বেসরকারি সংস্থা স্কুল স্থাপনসহ কোন জনস্বার্থে জমি অধিগ্রহণ করলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বাজার দরের চারগুণ ক্ষতিপূরণ পাবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার এক বছরের জমির গড় মূল্যের ভিত্তিতে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হবে।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন