পোস্টগুলি

কয়রায় কলেজ শিক্ষককে নির্যাতন করায় প্রতিবাদ সভা

ছবি
এ আর রাজ, কয়রা প্রতিনিধি : কয়রা উপজেলার খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ আব্দুল হাইকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করায় কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত রবিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে অধ্যক্ষ ড. চয়ন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা রাখেন অধ্যাপক সুকুমার বাছাড়, এসএম, সাইফুল কবির, পাপিয়া পারভীন, শিক্ষার্থী সোহাগ হোসেন ও ফিরোজা খাতুন। বক্তারা উক্ত শিক্ষককে শারীরিকভাবে নির্যাতন করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান। Posted by #voiceofamadi 

কয়রায় কলেজ শিক্ষককে নির্যাতন করায় প্রতিবাদ সভা

ছবি
এ আর রাজ, কয়রা প্রতিনিধি : কয়রা উপজেলার খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ আব্দুল হাইকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করায় কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত রবিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে অধ্যক্ষ ড. চয়ন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা রাখেন অধ্যাপক সুকুমার বাছাড়, এসএম, সাইফুল কবির, পাপিয়া পারভীন, শিক্ষার্থী সোহাগ হোসেন ও ফিরোজা খাতুন। বক্তারা উক্ত শিক্ষককে শারীরিকভাবে নির্যাতন করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান। Posted by #voiceofamadi 

১৪ বছর পর খুলনা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

ছবি
দীর্ঘ ১৪ বছর পর অবশেষে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন পাওয়ায় পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীদের হতাশা ও আক্ষেপ দূর হয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর পর পূর্ণতা পাওয়ায় জেলা ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় রাজপথে সক্রিয় থাকা কয়েকজন যোগ্যতা অনুসারে পদ পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২৫ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়। সেই কমিটি ভাঙে ২০১২ সালে। দীর্ঘ ১৪ বছর খুলনা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। সর্বশেষ ২০০৩ সালের ১৪ জুলাই ১২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটি জেলা শাখার দায়িত্বে ছিল প্রায় ৮ বছর। এরপর ২০১২ সালে ১৫ সদস্যের এক প্রেস কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ওই কমিটি জেলার দায়িত্বে ছিল দীর্ঘ ৫ বছর। ২০১৭ সালের ২৯ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে মো. পারভেজ হাওলাদার সভাপতি ও মো. ইমরান হোসেন সাধা...

১৪ বছর পর খুলনা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

ছবি
দীর্ঘ ১৪ বছর পর অবশেষে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন পাওয়ায় পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীদের হতাশা ও আক্ষেপ দূর হয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর পর পূর্ণতা পাওয়ায় জেলা ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় রাজপথে সক্রিয় থাকা কয়েকজন যোগ্যতা অনুসারে পদ পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২৫ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়। সেই কমিটি ভাঙে ২০১২ সালে। দীর্ঘ ১৪ বছর খুলনা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। সর্বশেষ ২০০৩ সালের ১৪ জুলাই ১২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটি জেলা শাখার দায়িত্বে ছিল প্রায় ৮ বছর। এরপর ২০১২ সালে ১৫ সদস্যের এক প্রেস কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ওই কমিটি জেলার দায়িত্বে ছিল দীর্ঘ ৫ বছর। ২০১৭ সালের ২৯ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে মো. পারভেজ হাওলাদার সভাপতি ও মো. ইমরা...

কয়রায় চিকিৎসার নামে দুর্নীতি, বদলির পিছনে কাহিনী

ছবি
এম এম রাসেল আহমেদ, চিকিৎসা সেবা প্রতেকটা মানুষের মৌলিক অধিকার, আর চিকিৎসক হলো তার কর্ণধর তার প্রেরক, অসুস্থ জনের প্রাপ্য হলো শান্তিপূর্ণ চিকিৎসা গ্রহন। আর এখানেই যদি হয় দুর্নীতি, অনিয়ম, শোষন, ভুগন্তি ও অর্থবহুল ব্যাবস্যা। তাহলে কেনো এর নাম হবে সরকারি চিকিৎসা। সবইতো কুচক্রী,স্বার্থনেশি মহলের কাজ, প্লিজ ব্যাবসা-বানিজ্য , আয় রোজগার এর বিভিন্ন পথ তো রয়েছে, তাহলে কেনো এই পথ বেছে নিয়েছেন? কেনো মানুষের জীবন-মরন নিয়ে ব্যাবসা করেন! কেনো বিপদের মুখে ফেলেন মানুষকে, কোন ঘুম হারাম করছেন তাদেরকে? আপনার কর্তব্য কি এটাই, এটাই কি আপনার দায়িত্ব, এ জন্যকি আপনাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ভুলোকে। অনুরোধ সৎ পথে চলেন, সৎ কথা বলেন, সৎ কাজ বাস্তবায়ন করেন। আজ না হয় মানব বন্ধন হয়েছে, আগামীতে তো এর থেকে ও বড় কিছু হয়ে সেটা কাল হতে পারে। সবাই জানি রক্তের টান মানেনা কোন বাধা, মানে না কোন প্রতিবাদ, মানেনা কোন সংগ্রাম । *নদীর স্রোত আর রক্তের টান- সবসময় বহমান* জানা আছে সবার। আমাদের ছেলে আমাদের পাশে থাকুক, আমাদের ভাই আমাদের চিকিৎসায় নিয়জিত থাকুক। আমরা চাইনা নকল হীরাকে, আমরা চাই খাঁটী সোনাকে, যে বোঝ...

কয়রায় চিকিৎসার নামে দুর্নীতি, বদলির পিছনে কাহিনী

ছবি
এম এম রাসেল আহমেদ, চিকিৎসা সেবা প্রতেকটা মানুষের মৌলিক অধিকার, আর চিকিৎসক হলো তার কর্ণধর তার প্রেরক, অসুস্থ জনের প্রাপ্য হলো শান্তিপূর্ণ চিকিৎসা গ্রহন। আর এখানেই যদি হয় দুর্নীতি, অনিয়ম, শোষন, ভুগন্তি ও অর্থবহুল ব্যাবস্যা। তাহলে কেনো এর নাম হবে সরকারি চিকিৎসা। সবইতো কুচক্রী,স্বার্থনেশি মহলের কাজ, প্লিজ ব্যাবসা-বানিজ্য , আয় রোজগার এর বিভিন্ন পথ তো রয়েছে, তাহলে কেনো এই পথ বেছে নিয়েছেন? কেনো মানুষের জীবন-মরন নিয়ে ব্যাবসা করেন! কেনো বিপদের মুখে ফেলেন মানুষকে, কোন ঘুম হারাম করছেন তাদেরকে? আপনার কর্তব্য কি এটাই, এটাই কি আপনার দায়িত্ব, এ জন্যকি আপনাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ভুলোকে। অনুরোধ সৎ পথে চলেন, সৎ কথা বলেন, সৎ কাজ বাস্তবায়ন করেন। আজ না হয় মানব বন্ধন হয়েছে, আগামীতে তো এর থেকে ও বড় কিছু হয়ে সেটা কাল হতে পারে। সবাই জানি রক্তের টান মানেনা কোন বাধা, মানে না কোন প্রতিবাদ, মানেনা কোন সংগ্রাম । *নদীর স্রোত আর রক্তের টান- সবসময় বহমান* জানা আছে সবার। আমাদের ছেলে আমাদের পাশে থাকুক, আমাদের ভাই আমাদের চিকিৎসায় নিয়জিত থাকুক। আমরা চাইনা নকল হীরাকে, আমরা চাই খাঁ...

কয়রায় ছাত্রলীগ নেতাদের হাতে আহত ৭

ছবি
আব্দুর রাজ্জাক রাজ কয়রা প্রতিনিধি : কয়রায় খান সাহেব কোমর উদ্দীন ডিগ্রি কলেজে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় সাধারণ সম্পাদক ছাত্র-ছাত্রীদের জোর করে সভা স্থলে নেয়ার চেষ্টা করলে তারা অস্বীকার করে। শিক্ষার্থীরা সভায় উপস্থিত না হয়ে কলেজে কাস করতে যেতে চায়। ঘটনাটি ঘটি শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে খান সাহেব কোমর উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের কাস রুমের সামনে। এতে থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল আমিন হোসেন সাধারণ ছাত্রদের বেধড়ক মারপিট করেন। খবর পেয়ে বিভিন্ন কাসে থাকা ছাত্ররা ছুটে এসে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান (দিদার ও সাধরণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন কে গণ পিটুনি দিয়ে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনার ২০ মিনিট পরে তাকে উদ্ধার করে বলে জানা গেছে। সুত্র জানায় এ ঘটনায় কলেজের ৭ ছাত্র আহত হয়েছে এবং এর মধ্যে  গৌরঙ্গ ঘোষ (২২) ও রমজান (২২) নামে ২ জন মারাক্তাক জখম হয়েছে। জানা গেছে গৌরাঙ্গের বুকে ছুরির আঘাত এবং রমজানের নাকে ছুরি মারা হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে মিঠুন (২২), কমলেশ (২০), আরান (২১), রিয়াজ (২৩) ও মুন্না (২২) আহতরা সবাই কলেজের সাধারণ ছাত্র।...